সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

গরুর ক্ষুরা রোগের কারণ, লক্ষণ ও ঘরোয়া প্রতিকার: খামারকে লোকসান থেকে বাঁচানোর সম্পূর্ণ গাইড

সাম্প্রতিক পোস্টগুলি

কবুতরের বসন্ত (Pigeon Pox) হলে কি করনীয় : কারণ, লক্ষণ ও আধুনিক চিকিৎসা

গত কয়েক বছর আগের কথা। আমার এক প্রতিবেশীর প্রায় ৫০-৭০ জোড়া চমৎকার একঝাঁক কবুতর ছিল। সে বছর বর্ষাকালে হুট করেই তার ৩-৫ জোড়া কবুতর বসন্ত রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। আমি তাকে বাচ্চার মতো অসহায় হয়ে কাঁদতে দেখেছি। অবুঝ এই পাখিগুলোর প্রতি তার ভালোবাসা আর সেই কান্না দেখে আমার নিজের চোখও পানিতে ভরে এসেছিল। আসলে , কবুতর পালনকারীদের জন্য ‘বসন্ত রোগ’ বা ‘পক্স’ একটি মূর্তিমান আতঙ্কের নাম। বিশেষ করে গরম আর বর্ষার স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় এই রোগের প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে একটি ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ না নিলে দেখতে দেখতে পুরো খামারের সব কবুতর আক্রান্ত হতে পারে , এমনকি পুরো খামার নিমেষেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। আমরা মানুষ , কষ্ট হলে মুখে বলতে পারি। কিন্তু এই অবুঝ পাখিরা তা পারে না। ওদের কষ্টটা আমাদেরই বুঝে নিতে হয়—ওদের ঝিমানো , নড়াচড়া না করা বা খাওয়া বন্ধ করে দেওয়ার ভঙ্গিমায়। ছোটবেলায় দেখতাম , কবুতরের বসন্ত হলে অনেকে অবহেলা করে ফেলে রাখত , যার শেষ পরিণতি হতো মৃত্যু। তাই কবুতরপ্রেমী হিসেবে আমাদের এই রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা জরুরি। ১. রোগের আসল কারণ কী ? কবু...

পুরুষ মাছই সন্তানের জন্ম দেয়, স্ত্রী নয়! সমুদ্রের বিস্ময় - সি হর্স

  নতুনকে দেখা আর জানার ইচ্ছা আমার অনেক দিনের। আমার ইচ্ছা দুনিয়ার সমস্ত প্রাণী সম্পর্কে জানব। হোক সে দুনিয়ার উপরে বা মাটির নিচের অথবা পানির নিচের। সে স্বপ্ন নিয়েই আমার পথ চলা। সে ধারাবাহিকতাই আজ জানব অফুরন্ত বিস্ময়ের ভিড়ে সবচেয়ে অদ্ভুত আর নজরকাড়া এক প্রাণী সম্পর্কে যার নাম সি হর্স ( Sea Horse ) বা সমুদ্রঘোড়া । প্রাণীটিকে আমি প্রথম দেখি একটি ভিডিওতে, আমার মনেই হয়নি এটি কোনো মাছ । এর বিচিত্র গ ঠ ন ও অদ্ভুত লাইফস্টাইল যুগ যুগ ধরে আমার মত বিজ্ঞানীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছে । সি হর্স - নামকরণের ইতিহাস সি হর্সের বৈজ্ঞানিক নাম হলো Hippocampus । শব্দটা শুনতে বেশ ভারী মনে হলেও এর উৎপত্তি কিন্তু দারুণ । প্রাচীন গ্রিক ভাষার দুটি শব্দ—‘ Hippos’ ( যার অর্থ ঘোড়া) এবং ‘ Kampos ’ ( যার অর্থ সমুদ্রের দানব) মিলেই তৈরি হয়েছে এই নাম । আসলে , এই মাছগুলোর মাথা , বাঁকানো ঘাড় আর মুখের সম্মুখভাগ দেখতে হুবহু ডাঙার তেজী ঘোড়ার মতো । প্রকৃতির এই অদ্ভুত মিলের কারণেই সাধারণ মানুষ ভালোবেসে এর নাম দিয়েছে ‘সমুদ্রঘোড়া’ । শুধু সাধারণ মানুষই নয় , প্রাচীন গ্রিক ও রোমান রূপকথাতেও এর রোমাঞ্চকর গল্প রয়েছে । পৌর...

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

পুরুষ মাছই সন্তানের জন্ম দেয়, স্ত্রী নয়! সমুদ্রের বিস্ময় - সি হর্স

  নতুনকে দেখা আর জানার ইচ্ছা আমার অনেক দিনের। আমার ইচ্ছা দুনিয়ার সমস্ত প্রাণী সম্পর্কে জানব। হোক সে দুনিয়ার উপরে বা মাটির নিচের অথবা পানির নিচের। সে স্বপ্ন নিয়েই আমার পথ চলা। সে ধারাবাহিকতাই আজ জানব অফুরন্ত বিস্ময়ের ভিড়ে সবচেয়ে অদ্ভুত আর নজরকাড়া এক প্রাণী সম্পর্কে যার নাম সি হর্স ( Sea Horse ) বা সমুদ্রঘোড়া । প্রাণীটিকে আমি প্রথম দেখি একটি ভিডিওতে, আমার মনেই হয়নি এটি কোনো মাছ । এর বিচিত্র গ ঠ ন ও অদ্ভুত লাইফস্টাইল যুগ যুগ ধরে আমার মত বিজ্ঞানীদের তাক লাগিয়ে দিয়েছে । সি হর্স - নামকরণের ইতিহাস সি হর্সের বৈজ্ঞানিক নাম হলো Hippocampus । শব্দটা শুনতে বেশ ভারী মনে হলেও এর উৎপত্তি কিন্তু দারুণ । প্রাচীন গ্রিক ভাষার দুটি শব্দ—‘ Hippos’ ( যার অর্থ ঘোড়া) এবং ‘ Kampos ’ ( যার অর্থ সমুদ্রের দানব) মিলেই তৈরি হয়েছে এই নাম । আসলে , এই মাছগুলোর মাথা , বাঁকানো ঘাড় আর মুখের সম্মুখভাগ দেখতে হুবহু ডাঙার তেজী ঘোড়ার মতো । প্রকৃতির এই অদ্ভুত মিলের কারণেই সাধারণ মানুষ ভালোবেসে এর নাম দিয়েছে ‘সমুদ্রঘোড়া’ । শুধু সাধারণ মানুষই নয় , প্রাচীন গ্রিক ও রোমান রূপকথাতেও এর রোমাঞ্চকর গল্প রয়েছে । পৌর...